ভিসা খবর

বাংলাদেশ থেকে সহজেই কানাডা ভিসা পাওয়ার উপায়

কানাডা খুবই উন্নত একটি দেশ। এই দেশটিতে যারা কাজের উদ্দেশ্যে যান তারা অনেক ধরনের সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন। প্রতিবছর বিভিন্ন কাজের জন্য সারা বিশ্ব থেকে অনেকেই কানাডাতে কাজের উদ্দেশ্যে যায়। আজকের পোষ্টের মাধ্যমে আলোচনা করা হবে কানাডা ভিসা পাওয়ার উপায় সম্পর্কে বা কিভাবে খুব সহজেই কানাডা যাওয়া যায়।তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক-

 

কানাডা ভিসা ক্যাটাগরি

 

কানাডাতে যাওয়ার জন্য কয় ধরনের ভিসা দেওয়া হয়ে থাকে বা বর্তমানে কানাডা যাওয়ার জন্য কয় ধরনের ভিসা রয়েছে এটা সম্পর্কে অবশ্যই জানা জরুরি। বাংলাদেশিরা চাইলে নয়টি উপায়ে কানাডা যেতে পারেন।যেমন:-

 

➡️নাফটা ভিসার মাধ্যমে ব্যবসায়িক কাজের জন্য 

➡️কানাডার কোন প্রতিষ্ঠান থেকে অফার লেটার ফেলে চাকরির জন্য।

➡️স্পন্সর্রশীপের মাধ্যমে।

➡️আইইউসির এর মাধ্যমে।

➡️কানাডা ট্যুরিস্ট ভিসার মাধ্যমে।

➡️কানাডা উদ্যোক্তা ভিসার মাধ্যমে।

➡️ইকোনমিক প্রোগ্রামের জন্য।

➡️ফ্যামিলি প্রোগ্রামের জন্য।

 

অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে এই নয়টি কারণের জন্য কানাডা ভিসা করতে পারবেন এবং এই নয়টি কারণ দেখিয়ে ভিসা করার মাধ্যমে কানাডা যেতে পারবেন।তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে কাজের উদ্দেশ্যে অনেকে কানাডা যান।বাংলাদেশিরা কানাডা কৃষি ভিসা, কানাডা গার্মেন্টস ভিসা, কানাডা শ্রমিক ভিসা এগুলো ব্যবহার করে কানাডায় যায়।

 

কানাডার ভিসা কিভাবে পাওয়া যাবে

 

কানাডা ভিসা পাওয়ার জন্য বিশেষ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। অর্থাৎ কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে যেগুলো পালন করার মাধ্যমে খুব সহজেই কানাডা ভিসা পাওয়া যায়।বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে অনেকেই সরকারিভাবে কানাডা যাচ্ছে। সরকারিভাবে যদি আপনাকে কানাডা যেতে হয় তাহলে কানাডার কোন কোম্পানি বা সেক্টরে চাকরির সার্কুলার দিয়েছে সেটা সম্পর্কে আগে ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে নিতে হবে। তারপরে দেখতে হবে উক্ত চাকরিটির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা কতটা প্রয়োজন যদি অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় তাহলে প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

 

আপনি যদি চাকরিপ্রার্থী হিসেবে সরকারিভাবে কানাডায় যেতে চান তাহলে প্রথমেই চাকরি প্রার্থীর নাম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনারা চাইলে নিকটস্থ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে প্রবাসী কল্যাণ শাখায় যোগাযোগ করতে পারেন।সেখান থেকে তারা কিছু নির্দেশনা দিবে সে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

 

আপনার যদি পাসপোর্ট না থেকে থাকে তাহলে সর্বপ্রথম একটি পাসপোর্ট তৈরি করে নিতে হবে। পাসপোর্ট তৈরি করতে অনেক সময় লাগে তাই আপনি চাইলে ইমারজেন্সি ভাবে পাসপোর্টটি তৈরি করে নিতে পারেন তবে এই ক্ষেত্রে টাকা একটু বেশি লাগবে।তারপরে কানাডা ভিসা আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ, মেডিকেল টেস্ট করা, জনশক্তি মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া এসব কাজগুলো করতে হবে।

 

কানাডা ভিসা করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগে

 

কানাডা ভিসা পাওয়ার উপায় বা কানাডা ভিসা করার জন্য কি কি কাগজপত্র লাগে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে অবশ্যই জেনে নিতে হবে। তাহলে পরবর্তীতে কোন ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হবে না।নিচে কানাডা ভিসা পাওয়ার জন্য কেমন যোগ্যতা লাগে এবং কি কি ডকুমেন্ট লাগে তা উল্লেখ করা হলোঃ-

 

➡️আবেদনকারী ব্যক্তির পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে 

➡️আবেদনকারী ব্যক্তির শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র লাগবে /আবেদনকারি কারী ব্যক্তিকে কমপক্ষে এসএসসি অথবা এইচএসসি পাশ করতে হবে।

➡️চাকরির অভিজ্ঞতা বা পূর্বে কি চাকরি করেছে তার সনদপত্র বা প্রমাণপত্র প্রয়োজন হবে।

➡️আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি প্রয়োজন হবে।

➡️জন্ম নিবন্ধন কার্ডের ফটোকপি থাকতে হবে। 

➡️আবেদনকারী বিবাহিত হলে তার বৈবাহিক সনদপত্র প্রয়োজন হবে। 

➡️ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখানো লাগবে। 

➡️মেডিকেল রিপোর্টে পাস হতে হবে এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে। 

 

তাছাড়া আবেদন কারী ব্যক্তির আরো কিছু ব্যক্তিগত তথ্য লাগতে পারে। যারা কানাডা যেতে চান তাদের অবশ্যই এই ডকুমেন্টগুলো প্রয়োজন হবে। এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া কোনভাবেই কানাডা ভিসা নিয়ে কানাডা যেতে পারবেন না। 

 

কানাডা ভিসা আবেদন ফরম 

 

কানাডা ভিসার জন্য যারা আবেদন করতে চান তাদের অবশ্যই কানাডা ভিসা আবেদন ফরম প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনেকেই জানেন না কিভাবে কানাডা ভিসা আবেদনের ফরমটি পেতে হয়। যারা কানাডা ভিসা আবেদনের ফরম পেতে চান তারা সরাসরি এই লিংক থেকে গিয়ে কানাডা https://visathing.com/country/canada/ ভিসা ফরম পেয়ে যাবেন। এখান থেকে অনলাইনে কানাডা ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে।

 

কানাডা ভিসা প্রসেসিং/কানাডা ভিসা পাওয়ার উপায়

 

কানাডা ভিসা প্রসেসিং খরচ কত বা কানাডা ভিসা প্রসেসিং সম্পূর্ণ করতে কত টাকা খরচ হয়ে থাকে এই নিয়ে অনেকের জানার আগ্রহ রয়েছে।কানাডা ভিসা প্রসেসিং খরচ কানাডা ভিসা ক্যাটাগরি অনুযায়ী কম বেশি হয়ে থাকে। অনলাইনে কানাডা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রসেসিং এর জন্য পেমেন্ট লাগে প্রায় ১৫৫ ডলারের মতো।

 

শেষ কথা, আশা করি আজকের পোস্টটি যারা পড়েছেন তারা কানাডা ভিসা পাওয়ার উপায় বা কিভাবে খুব সহজেই বাংলাদেশ থেকে কানাডা যাওয়ার জন্য আবেদন করা যায় এই বিষয়ে সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা পেয়েছেন। তারপরেও যদি কোন ধরনের প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে পারেন। 

সম্পর্কিত আর্টিকেল

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button

Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/educarer/public_html/wp-includes/functions.php on line 5373